কালিমা, নামায, রোযা, হজ্ব ও যাকাত নিয়ে ইসলামী জীবন

তিন সাহসী ভাই (একটি অসাধারণ ইসলামীক সত্য ঘটনা)

675
হযরত আল্লামা আবুল ফারাজ আবদুর রহমান বিন জওযী رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ উয়ূনুল হিকায়াতে বর্ণনা করেন: সিরিয়ার তিনজন ঘোড়সওয়ার সাহসী যুবক ভাই ইসলামী সৈন্যদের সাথে জিহাদে রওয়ানা হন। কিন্তু তাঁরা সৈন্যদের থেকে আলাদা হয়ে চলতেন। যতক্ষণ পর্যন্ত কাফেররা প্রথমে আক্রমণ না চালাত তাঁরা যুদ্ধে লিপ্ত হতেন না। একবার রোমদের একটি বড় সৈন্যদল মুসলমানদের উপর আক্রমণ চালাল এবং বেশ কিছু মুসলমানদের শহীদ করল ও অনেককে বন্দী করে ফেলল। তিন ভাই নিজেদের মধ্যে বলাবলি করলেন, মুসলমানদের উপর একটি বড় মুসিবত নাযিল হয়েছে, আমাদের উচিত নিজেদের জীবন বাজি রেখে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়া। এ উদ্দেশ্যে তাঁরা সামনে অগ্রসর হলেন আর প্রাণে বেঁচে যাওয়া অবশিষ্ট মুসলমানদের বললেন: আপনারা আমাদের পিছনে চলে যান। এবং আমাদেরকে তাদের সাথে যুদ্ধ করতে দিন। আল্লাহ্ চাইলে আমরাই আপনাদের জন্য যথেষ্ট। অতঃপর তাঁরা রোম সৈন্যদের উপর এমন আক্রমণ চালাল যে, রোম সৈন্যরা পিছু হটতে বাধ্য হল। রোম সম্রাট (তিন যুবক ভাইয়ের বাহাদুরী অবলোকন করছিল) নিজের একজন সেনাপতিকে বলল: যে ব্যক্তি এই তিনজন ভাইদের মধ্য হতে যে কোন একজনকে গ্রেফতার করে আনতে পারবে, আমি তাকে আমার নিকটতম পদ দান করব আর সেনাপতি নিয়োজিত করব। রোম সৈন্যরা এই ঘোষণা শোনার সাথে সাথে প্রচন্ড লড়াইয়ে নিয়োজিত হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত তিন ভাইকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হল। রোম সম্রাট বলল: এই তিনজনকে গ্রেফতার করতে পারাই আমাদের জন্য সব চেয়ে বড় বিজয়। অতঃপর সে সেনাবাহিনীকে ফিরে আসার আদেশ দিল আর এ তিন ভাইকে নিজের সাথে রাজধানী কস্তান্তানিয়ায় নিয়ে আসল। এসে বলল: তোমরা যদি ইসলাম পরিত্যাগ কর, তা হলে আমি আমার কন্যাদের সাথে তোমাদের বিয়ে দিব আর ভবিষ্যৎ সাম্রাজ্যও তোমাদের হাতে ন্যস্ত করব। তিন ভাই ঈমানের উপর অবিচলতা প্রদর্শনপূর্বক তার এই প্রস্তাবনাকে নস্যাৎ করে দিল। তাঁরা সরকারে মদীনা, নবী করীম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কে আহ্বান করলেন। তাঁর صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করলেন। সম্রাট তার সভাসদের কাছে জিজ্ঞাসা করল: এরা কী বলছেন? সভাসদগণ জবাবে বলল: এঁরা তাঁদের নবীকে ডাকছেন। সম্রাট তিন সহোদরকে বলল: তোমরা যদি আমার কথা অমান্য কর, তা হলে আমি তিনটি কড়াইতে তেল গরম করে তোমাদের তিনজনকেই এক এক করে ঢেলে দেব।
এরপর সে তেলসহ তিনটি কড়াইয়ের নিচে তিন দিন ধরে আগুন জ্বালাবার আদেশ দিল। প্রতিদিন তিন ভাইকে সেই কড়াইর পাশ দিয়ে নিয়ে যাওয়া হত। আর সম্রাট তার প্রস্তাব বরাবরই তাঁদের কাছে পেশ করতে থাকত যে, ইসলাম ছেড়ে দাও। তা হলে আমার কন্যার সাথে তোমাদের বিয়ে দিব। আর ভবিষ্যৎ সাম্রাজ্যও তোমাদের হাতে ন্যস্ত করব। তিন সহোদর বরাবরই ঈমানের উপর অটল থাকেন এবং সম্রাটের এই প্রস্তাব প্রতি বারই অগ্রাহ্য করতে থাকেন। তিন দিন পর সম্রাট বড় ভাইকে ডাকল এবং নিজের প্রস্তাব পুনরায় বলল, মর্দে মুজাহিদ সম্রাটের প্রস্তাব নাকচ করে দিলেন। সম্রাট ধমক দিয়ে বলল: আমি তোমাকে এই গরম তেলের মধ্যে ফেলব। কিন্তু তিনি আবারও অস্বীকার করলেন। শেষে সম্রাট ক্ষুদ্ধ হয়ে তাঁকে কড়াইর মধ্যে ফেলার আদেশ দিল। সাথে সাথে যুবকটিকে তেলে ফেলে দেওয়া হল। এক পলকেই তাঁর সব মাংস গলে গেল আর হাঁড়গোড় সব উপরে চলে এল। সম্রাট অপর ভাইকেও একইরূপ করল। তাঁকেও টগবগ করা ফুটন্ত তেলে নিক্ষেপ করল। সম্রাট যখন এমন করুন পরিস্থিতিতেও ইসলামের উপর তাঁদের দৃঢ়চিত্ত ও অবিচলতা দেখল এবং কঠিন অগ্নিপরীক্ষাতে অটল দেখে, লজ্জিত হয়ে নিজেকে নিজে বলতে লাগল: আমি এদের (মুসলমানদের) চেয়ে অধিক সাহসী আর কাউকে কখনও দেখিনি। আমি তাঁদের প্রতি এ কী আচরণ করলাম। অত:পর সে ছোট ভাইকে নিয়ে আসার আদেশ দিল। তাঁকে নিজের পাশে এনে বিভিন্ন কৌশলে বিভ্রান্ত করতে চাইল। কিন্তু এই যুবক তার সেসব ধোকায় পড়লেন না। তাঁর অটলতা ও অবিচলতা পূর্ববৎ বহালই রইল। এমন সময় সভাসদদের কেউ বলে উঠল: হে রোম সম্রাট! আমি যদি তাকে ফাঁসাতে পারি, তা হলে পুরস্কার স্বরূপ আমাকে কী দেওয়া হবে? সম্রাট বলল: আমি তোমাকে আমার সেনা বাহিনীর প্রধান বানিয়ে দেব। লোকটি বলল: আমি রাজি আছি। সম্রাট জিজ্ঞাসা করল: তুমি তাঁকে কীভাবে ফাঁসাবে? লোকটি বলল: হে সম্রাট আপনি জানেন যে, আরববাসীরা নারীর প্রতি অনেক আসক্ত আর এ কথা সমস্ত রোম সম্প্রদায় জানে যে, আমার অমুক মেয়েটি সুন্দরে অদ্বিতীয়। সারা রোম সাম্রাজ্যে তার মত সুন্দরী মেয়ে আর একজন নেই। আপনি এই যুবকটিকে আমায় সোপর্দ করুন। তাঁকে আর আমার সেই মেয়েটিকে একাকীত্বে রাখব আর সে তাঁকে রাজি করতে সক্ষম হবে। সম্রাট লোকটিকে চল্লিশ দিনের সময় দিল আর যুবকটিকে তার হাতে তুলে দিল। যুবকটিকে সাথে নিয়ে লোকটি আপন কন্যার কাছে এল আরসমস্ত ব্যাপারটি খুলে বলল। মেয়েটি পিতার কথায় রাজি হয়ে কাজ করার জন্য তৈরি হয়ে গেল। যুবকটি সেই মেয়েটির সাথে একাকীত্বে এমনভাবে রইলেন যে, দিনে রোজা রাখত আর রাতে নফল নামাযে মশগুল থাকত। এক পর্যায়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা শেষ হতে চলল। বাদশাহ মেয়েটির পিতার কাছে যুবকটির অবস্থা জানতে চাইল। সে এসে আপন কন্যার কাছে জিজ্ঞাসা করল। মেয়েটি বলল: আমি তাঁকে ফাঁসাতে সক্ষম হইনি। তিনি আমার দিকে আসক্ত হচ্ছে না। হয়ত তার কারণ এ হতে পারে যে, তাঁর দুই দুইটি ভাইকে এই শহরে মেরে ফেলা হয়েছে। তাঁদের স্মরণই তাঁর মনোবেদনার একমাত্র কারণ হয়েছে, সুতরাং সম্রাট থেকে সময় আরও বাড়িয়ে নাও। আর আমাদের দুজনকে অন্য কোন শহরে পাঠিয়ে দাও। ঐ দরবারীটি সমস্ত বিষয় সম্রাটের কাছে পেশ করল। সম্রাট তাকে সময় আরও বাড়িয়ে দিল, আর তাদের উভয়কে অন্য শহরে পাঠিয়ে দেওয়ার আদেশ দিল। যুবকটি এখানে এসেও নিজের কাজে মশগুল রইলেন অর্থাৎ তিনি দিনে রোজা রাখতেন আর রাতে নফল নামাযে মশগুল থাকতেন। এক পর্যায়ে নির্দিষ্ট সময় শেষ হবার যখন আর মাত্র তিন দিন বাকি রইল, তখন মেয়েটি পাগলপারা ও অস্তির হয়ে যুবকটির নিকট আবেদন করল: আমি তোমার ধর্ম গ্রহণ করতে চাই। অতঃপর মেয়েটি মুসলমান হয়ে গেল আর তাঁরা এখান থেকে পালিয়ে যাবার পরিকল্পনা করলেন। মেয়েটি আস্তাবল থেকে দুটি ঘোড়া নিয়ে এল। সেগুলোতে সওয়ার হয়ে উভয়ে ইসলামী রাষ্ট্রের দিকে রওয়ানা হয়ে গেলেন। এক রাতে তাঁরা পেছন থেকে ঘোড়ার পায়ের শব্দ শুনতে পেলেন। মেয়েটি মনে করল, নিশ্চয় রোম সেনারা তাদের পিছু ধাওয়া করে কাছাকাছি এসে পৌঁছেছে। সে যুবকটিকে বলল: আপনি সেই রবের কাছে ফরিয়াদ করুন, যাঁর উপর আমি ঈমান এনেছি। তিনি যেন আমাদেরকে দুশমনের হাত থেকে রক্ষা করেন। যুবকটি পেছন ফিরে তাকাতেই হতবাক হয়ে গেলেন, তিনি দেখলেন তাঁর অপর দুই ভাই যাঁরা শহীদ হয়ে গেছেন, ফিরিশতাদের একটি দলের সাথে ঘোড়ায় সওয়ার আছেন। তিনি তাঁদেরকে সালাম করলেন, এরপর তাঁদের কাছে তাঁদের অবস্থা জানতে চান। তাঁরা উভয়ে বললেন: আমরা এক ডুবেই জান্নাতুল ফিরদৌসে পৌঁছে গিয়েছিলাম। আল্লাহ্ তা’আলা আমাদেরকে তোমাদের নিকট পাঠিয়েছেন। এরপর তাঁরা ফিরে গেলেন। যুবকটি মেয়েটিকে সাথে নিয়ে সিরিয়া রাজ্যে এসে পৌঁছান। আর তাঁর সাথে বিয়ে করে সেখানেই বসবাস করতে থাকেন। এই তিনজন সিরিয় সাহসী সহোদরের কাহিনী সিরিয়ায় আলোড়ন সৃষ্টি করে। তাঁদের শানে বিভিন্ন কবিতা রচিত হয়েছে। যার একটি লাইন আপনারাও শুনুন :
سَيُعْطِى الصَّادِقِيْنَ بِفَضْلِ صِدْقِ نَجَاةً فِى الحَيَاةِ وَفِى المَمَاتِ
অনুবাদ : অচিরেই আল্লাহ্ সত্যবাদীদেরকে সত্যের বরকতের কারণে জীবন-মরণে পরিত্রাণ দান করবেন। (উয়ূনুল হিকায়াত, পৃষ্ঠা : ১৯৭, ১৯৮, দারুল কুতুবিল ইলমিয়া বৈরুত)
আল্লাহ তা’আলার রহমত তাঁদের উপর বর্ষিত হোক। এবং তাঁদের সদকায় আমাদের ক্ষমা হোক।
اٰمِين بِجا  هِ  النَّبِىِّ الْاَمين صَلَّی اللہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم 
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আপনারা দেখলেন তো! এই সিরিয় তিন সহোদর স্বীয় ঈমানে অটল থাকার কেমন নজির সৃষ্টি করলেন। তাঁদের হৃদয়ে ঈমান কী ধরনের স্থান লাভ করেছিল। এরা শুধু বলে বেড়ানো ইশকের দাবীদার ছিলেননা, সত্যিকার একনিষ্ঠ আশিকে রাসুল ছিলেন। দুই ভাই শাহাদাতের অমৃত সুধা পান করে জান্নাতুল ফিরদৌসের অবিনশ্বর নেয়ামতরাজির অধিকারী হয়ে যান। আর তৃতীয় জন রোমের সুন্দরীর প্রতি একটি বার দেখেনও নি, দিন রাত আল্লাহ তা’আলার ইবাদতে মশগুল ছিলেন। অথচ যে মেয়েটি তাঁকে শিকার করতে এসেছিল, স্বয়ং নিজেই বন্দী হয়ে গেল। ঘটনাটি থেকে এও জানা গেল যে, বিপদে আপদে সরকারে কায়েনাত, নবী করীম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করা এবং ইয়া রাসূলাল্লাহ صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم বলে আহ্বান করা আহলে হকদের (সত্যপন্থীদের) একটি পুরনো রীতি।
ইয়া রাসূলাল্লাহ্ কে না‘রে সে হাম কো পেয়ার হে
জিস নে ইয়ে না‘রা লাগায়া উস কা বেড়া পার হে।
তিন সাহসী ইসলামী যোদ্ধা

দুনিয়াবী আরাম-আয়েশ ত্যাগ করল

সিরিয় এই যুবকের সংকল্প, স্বাধীনচেতা মনোভাব এবং ঈমানের উপর অবিচলতায় মোবারকবাদ। একটু ভেবে দেখুনতো, চোখের সামনে দুই দুইটি প্রাণপ্রিয় ভাই শাহাদাতের অমৃত সুধা পান করে নেন, কিন্তু তাঁর অবিচল পদক্ষেপ একটুও সরেনি। না কোন হুমকি তাঁকে ভীত করতে পেরেছে, না বন্দী জীবনের দু:খ-কষ্ট তাঁকে নিজের সংকল্প থেকে বিচলিত করতে পেরেছে। সত্যনিষ্ঠ ও সত্যের এই ধারক বিভিন্ন আপদ-বিপদে সামান্য পরিমাণ ভয় পাননি। বালা মুসিবতের বিক্ষুব্ধ বাতাস তাঁর সুদৃঢ় মনোবলকে নাড়াতে পারে নি। আল্লাহ্ তা’আলা ও তা্রঁ রাসুল صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর প্রতি উৎসর্গের মনোভাব পার্থিব আপদগুলোকে মোটেও পরোয়া করেনি। বরং আল্লাহ্ তা’আলার রাস্তায় যুদ্ধ করতে গিয়ে আসা শত বাধাবিপত্তিকে তিনি সর্বান্তঃকরণে সাধুবাদ জানান। তাছাড়া পৃথিবীর ধন-দৌলত ও সৌন্দয্যের্র লালসাও তাঁর সংকল্প হতে তাঁকে বিচ্যুত করতে পারেনি। এই গাজী নওজোয়ান ইসলামের খাতিরে বিভিন্ন ভাবে পার্থিব আরাম-আয়েশকে ত্যাগ করেন।
ইয়ে গাজী ইয়ে তেরে পুর আসরার বন্দে,   জিনেঁ তো নে বখ্শা হে যওকে খোদাঈ
হে ঠোকর সে দো নীম সাহরা ও দরেয়া,    সিমট কর পাহাড় উন কি হাইবত সে রাঈ
দো আলম সে করতি হে বেগানা দিল কো,    আজব চিজ হে লজ্জতে আশনাঈ
শাহাদত হে মতলূব ও মকসূদে মুমিন,    না মালে গনিমত না কিশওয়র কশাঈ।
অবশেষে আল্লাহ্ তা’আলা রক্ষা পাওয়ারও বিভিন্ন উপায় তৈরি করে রেখেছেন। সেই রোম রমনীটি মুসলমান হয়ে গেল। আর উভয়ে শাদী মোবারকের মাধ্যমে যুগলজীবন লাভ করলেন। প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আপনারাও যদি উভয় জাহানে সফলতা লাভ করতে চান, তা হলে আশিকানে রাসুলদের সাথে মাদানী কাফেলাতে সুন্নত শিখার জন্য সফর করুন এবং প্রতিদিন ফিকরে মদীনার মাধ্যমে মাদানী ইনআমাতের রিসালা পূরণ করে প্রতি মাদানী মাসের প্রথম দশ দিনের মধ্যে নিজ এলাকার জিম্মাদারের নিকট জমা করানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন।

এই রিসালার বাকী লিখা টুকু পড়তে পূর্ববর্তী পোষ্টে ? ক্লিক করুন
<<<পূর্ববর্তী পোষ্ট♥♥♥♥পরবর্তী পোষ্ট>>>
লিখাটি আমীরে আহলে সুন্নাত হযরত মাওলানা ইলয়াস আত্তার কাদেরী রযভী কর্তৃক লিখিত ১৮ পৃষ্ঠা সম্বলিত “হোসাইনী দুলহা“ নামক রিসালার ১০-১৬ নং পৃষ্ঠা হতে সংগৃহীত। অতি গুরুত্বপূর্ণ এই রিসালাটি অবশ্যই সংগ্রহে রাখুন। অন্যকে উপহার দিন।

যারা মোবাইলে (পিডিএফ) রিসালাটি পড়তে চান তারা ফ্রি ডাউনলোড করুন ।
দাওয়াতে ইসলামীর সকল বাংলা ইসলামীক বইয়ের লিংক এক সাথে পেতে এখানে ক্লিক করুন 
ইমাম হোসাইন رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ এর কারামত বিষয়ক লিখা পড়ুন-১ম পর্ব২য় পর্ব৩য় পর্ব
মাদানী চ্যানেল দেখতে থাকুন