কালিমা, নামায, রোযা, হজ্ব ও যাকাত নিয়ে ইসলামী জীবন

দুরূদ শরীফ পাঠের ফযিলত- পর্ব-৪

756
❤❤ফযিলত-৩১❤❤
(৩১) রহমতে        আলম,      নূরে      মুজাস্সাম,      রাসূলে আকরাম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেছেন: “যে (ব্যক্তি) কুরআন পড়লো এবং আপন প্রতিপালকের প্রশংসা করলো, অতঃপর আমার উপর দরূদে পাক পড়লো, তারপর নিজ প্রতিপালক থেকে ক্ষমা প্রার্থনা করল, তবে সে মঙ্গলকে সেটার জায়াগা থেকে তালাশ করে নিলো।” (শুয়াবুল ঈমান, ২য় খন্ড, ৩৭৩ পৃষ্ঠা, হাদীস- ২০৮৪)
❤❤ফযিলত-৩২❤❤
(৩২) আল্লাহর মাহবুব, অদৃশ্যের সংবাদ দাতা নবী, হযরত মুহাম্মদ  ﷺ  এর জান্নাতরূপী ফরমান, “আমার উপর দরূদ শরীফ পাঠ করে তোমরা তোমাদের মজলিশ সমূহকে সজ্জিত করো, কেননা তোমাদের দরূদে পাক পাঠ করা কিয়ামতের দিন তোমাদের জন্য নূর হবে।” (ফিরদৌসুল আখবার, ১ম খন্ড, ৪২২ পৃষ্ঠা, হাদীস- ৩১৪৯)
❤❤ফযিলত-৩৩❤❤
দরূদ শরীফ পাঠের ফযিলত

(৩৩) সুলতানে   দো-আলম,   নূরে   মুজাস্সাম,     শাহে বনী আদম,  রাসূলে  মুহ্তাশাম   صَلَّی  اللّٰہُ تَعَالٰی  عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ   وَسَلَّم  ইরশাদ করেন: “জুমা রাত এবং জুমার দিন আমার উপর বেশি পরিমাণে দরূদ শরীফ পড়ো, কেননা তোমাদের দরূদে পাক আমার নিকট পেশ করা হয়।” (মুজাম আওসাত, ১ম খন্ড, ৮৩ পৃষ্ঠা, হাদীস- ২৪১)

❤❤ফযিলত-৩৪❤❤
(৩৪) রহমতে        আলম,      নূরে      মুজাস্সাম,      রাসূলে আকরাম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেছেন: “জুমার দিন ও জুমার রাতে (অর্থাৎ- বৃহস্পতিবার ও জুমার মধ্যবর্তী রাতে) আমার উপর বেশি পরিমাণে দরূদ শরীফ পাঠ করো। কেননা যে এমনটি করবে, আমি কিয়ামতের দিন তার সুপারিশকারী ও সাক্ষী হবো।” (শুয়াবুল ঈমান, ৩য় খন্ড, ১১১ পৃষ্ঠা, হাদীস- ৩০৩৩)
❤❤ফযিলত-৩৫❤❤
(৩৫) আল্লাহর মাহবুব, অদৃশ্যের সংবাদ দাতা নবী, হযরত মুহাম্মদ  ﷺ  এর জান্নাতরূপী ফরমান, “যখন বৃহম্পতিবার আসে আল্লাহ্ তাআলা ফিরিশতাদেরকে প্রেরণ করেন। তাদের নিকট রূপার কাগজ ও সোনার কলম থাকে, তারা লিপিবদ্ধ করে- কে বৃহস্পতিবার ও জুমার রাতে আমার উপর বেশি পরিমাণে দরূদ শরীফ পাঠ করে।” (আল ফিরদৌস বিমাসুরিল খাত্তাব, ১ম খন্ড, ১৮৪ পৃষ্ঠা, হাদীস- ৬৮৮)
❤❤ফযিলত-৩৬❤❤
(৩৬) সুলতানে   দো-আলম,   নূরে   মুজাস্সাম,     শাহে বনী আদম,  রাসূলে  মুহ্তাশাম   صَلَّی  اللّٰہُ تَعَالٰی  عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ   وَسَلَّم  ইরশাদ করেন: “আমার উপর দরূদ শরীফ পাঠ করা পুলছিরাতের উপর তোমাদের জন্য নূর হবে। যে (ব্যক্তি) জুমার দিন আমার উপর ৮০ বার দরূদ শরীফ পাঠ করে, তার ৮০ বছরের গুনাহ ক্ষমা হয়ে যাবে।” (আল ফিরদৌস বিমাসুরিল খাত্তাব, ২য় খন্ড, ৪০৮ পৃষ্ঠা, হাদীস- ৩৮১৪)
❤❤ফযিলত-৩৭❤❤
(৩৭) রহমতে        আলম,      নূরে      মুজাস্সাম,      রাসূলে আকরাম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেছেন: “যে (ব্যক্তি) আমার উপর জুমার দিন দরূদ শরীফ পড়বে আমি কিয়ামতের দিন তার জন্য সুপারিশ করব।” (জমউল জাওয়ামি লিস্ সূয়ুতী, ৭ম খন্ড, ১৯৯ পৃষ্ঠা, হদীস- ২২৩৫২)
❤❤ফযিলত-৩৮❤❤
(৩৮) সুলতানে   দো-আলম,   নূরে   মুজাস্সাম,     শাহে বনী আদম,  রাসূলে  মুহ্তাশাম   صَلَّی  اللّٰہُ تَعَالٰی  عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ   وَسَلَّم  ইরশাদ করেন: “যে ব্যক্তি জুমার দিন আমার উপর একশত বার দরূদ শরীফ পাঠ করে, যখন সে কিয়ামতের দিন আসবে, তখন তারসাথে এমন একটি নূর থাকবে যে, যদি তা সমস্ত সৃষ্টিকে বন্টন করে দেয়া হয়, তবে তা সবার জন্য যথেষ্ট হবে।” (হিলয়াতুল আউলিয়া, ৮ম খন্ড, ৪৯ পৃষ্ঠা)
❤❤ফযিলত-৩৯❤❤
(৩৯) রহমতে        আলম,      নূরে      মুজাস্সাম,      রাসূলে আকরাম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেছেন: “যে (ব্যক্তি) আমার উপর জুমার রাত ও জুমার দিনে একশ বার দরূদ শরীফ পাঠ করে, আল্লাহ্ তাআলা তার একশটি হাজত পূরণ করবেন। ৭০টি আখিরাতের আর ৩০টি দুনিয়ার।” (শুয়াবুল ঈমান, ৩য় খন্ড, ১১১ পৃষ্ঠা, হাদীস- ৩০৩৫)
❤❤ফযিলত-৪০❤❤
(৪০) সুলতানে   দো-আলম,   নূরে   মুজাস্সাম,     শাহে বনী আদম,  রাসূলে  মুহ্তাশাম   صَلَّی  اللّٰہُ تَعَالٰی  عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ   وَسَلَّم  ইরশাদ করেন: “যে (ব্যক্তি) আমার উপর জুমার দিন ২০০ বার দরূদ শরীফ পাঠ করে, তার ২০০ বছরের গুনাহ ক্ষমা হয়ে যাবে।” (জমউল জাওয়ামি লিস্ সূয়ুতী, ৭ম খন্ড, ১৯৯ পৃষ্ঠা)


صَلُّوا عَلَى الحَبِيب  صَلَّى اللهُ تَعَالَى عَلى مُحَمَّد

লিখাটি আমীরে আহলে সুন্নাত হযরত মাওলানা ইলয়াস আত্তার কাদেরী রযভী কর্তৃক লিখিত শাবান মাসের ফযিলত সম্পর্কিত “যিয়াঈ দুরূদ ও সালাম” নামক রিসালার ১৩-১৫ নং পৃষ্ঠা  হতে সংগৃহীত। রিসালাটি নিজে কিনুন, অন্যকে উপহার দিন।
যারা মোবাইলে রিসালাটি পড়তে চান তারা ফ্রি ডাউনলোড দিন

দাওয়াতে ইসলামীর সকল বাংলা ইসলামীক বইয়ের লিংক এক সাথে পেতে এখানে ক্লিক করুন
মাদানী চ্যানেল দেখতে থাকুন