কালিমা, নামায, রোযা, হজ্ব ও যাকাত নিয়ে ইসলামী জীবন

শাবান মাস : প্রিয় নবীর মাস (ফযিলত ও আমল) (পর্ব ৩)

304

সগে মদীনা عُفِيَ عُنْهُ এর মাদানী অনুরোধ

اَلْحَمْدُ لِلهِ عَزَّوَجَلَّ! সগে মদীনা عُفِيَ عُنْهُ (লিখক) এর বছরের পর বছর ধরে উল্লেখিত নিয়মানুসারে শবে বরাতের ৬ রাকাত নফল নামায আদায় ও তিলাওয়াত প্রভৃতির অভ্যাস রয়েছে। মাগরিবের পর আদায়কৃত এ ইবাদত নফল হিসেবে গণ্য। ফরয কিংবা ওয়াজিব নয় আর মাগরিবের পর নফল নামায আদায় ও কুরআন তিলাওয়াতে ব্যাপারে শরীয়তের মধ্যে কোন নিষেধাজ্ঞাও নেই। হযরত আল্লামা ইবনে রাজাব হাম্বলী رحمة الله عليه লিখেন: শাম বাসীদের মধ্যে সুপ্রসিদ্ধ তাবেয়ীগণ যেমন: হযরত সায়্যিদুনা খালিদ বিন মা’দান, হযরত সায়্যিদুনা মাকহুল, হযরত সায়্যিদুনা লোকমান বিন আমীর رحمة الله عليهم  অন্যান্যরা শবে বরাতের অনেক সম্মান করতেন আর এ রাতে খুব বেশি ইবাদত করতেন। তাঁদের কাছ থেকে অন্যান্য মুসলমানেরা এই মোবারক রাতের সম্মান করা শিখেছেন। (লাতায়িফুল মা’আরিফ, ১ম খন্ড, ১৪৫ পৃষ্ঠা) হানাফী মাযহাবের গ্রহনযোগ্য কিতাব “দুররে মুখতার” এর মধ্যে রয়েছে শবে বরাতে রাত জেগে ইবাদত করা মুস্তাহাব, (শুধু সম্পূর্ণ রাত জেগে থাকাকে রাত জাগ্রত থাকা বলেনা) বরং রাতের অধিকাংশ সময় জেগে থাকাও হচ্ছে রাত জাগ্রত থাকা। (দুররে মুখতার, ২য় খন্ড, ৫৬৮ পৃষ্ঠা। বাহারে শরীয়ত, ১ম খন্ড, ৬৭৯ পৃষ্ঠা, মাকাতাবাতুল মদীনা, বাবুল মদীনা করাচী)
মাদানী অনুরোধ: সম্ভব হলে সকল ইসলামী ভাইয়েরা নিজ নিজ এলাকার মসজিদে মাগরিবের নামাজের পর ৬ রাকাআত নফল প্রভৃতির ব্যবস্থা করুন আর অগনিত সাওয়াব অর্জন করুন। ইসলামী বোনেরা নিজ নিজ ঘরে এই আমল করুন। 

সারা বছর যাদু থেকে নিরাপদ 

দা’ওয়াতে ইসলামীর প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান মাকতাবাতুল মদীনা কতৃক প্রকাশিত ১৭০ পৃষ্ঠা সম্বলিত কিতাব “ইসলামী জিন্দেগী” এর ১৩৪ পৃষ্ঠায় রয়েছে: যদি এ রাতে (শবে বরাত) কুল গাছের সাতটি পাতা পানিতে সিদ্ধ করে (যখন পানি গোসল করার উপযোগী হয়ে যায় তখন) গোসল করে নিবেন। اِنْ شَاءَ الله عَزَّوَجَلَّ সারা বছর যাদুর প্রভাব থেকে নিরাপদ থাকবেন।
শাবান মাস: ফযিলত ও আমল

শবে বরাত ও কবর যিয়ারত*

উম্মুল মু’মিনীন হযরত সায়্যিদাতুনা আয়িশা সিদ্দিকা رضى الله عنها বলেন: আমি এক রাতে মদীনার তাজেদার, নবীকুল সরদার, হুযুরে আন্ওয়ার  কে দেখলাম না। অতঃপর জান্নাতুল বাক্বীর (কবরস্থান) এ পেলাম। তিনি আমাকে ইরশাদ করলেন: তুমি কি এ কথার আশংকা করেছিলে যে, আল্লাহ তাআলা ও তাঁর রাসুল ﷺ তোমার প্রাপ্য বিনষ্ট করবে? আমি আরয করলাম: হে আল্লাহর রাসুল  ! আমি ধারণা করেছি যে, হয়তো আপনি পবিত্র বিবিগণের মধ্যে কারো ঘরে তাশরীফ নিয়ে গেছেন। তখন ইরশাদ করলেন: “নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা শাবানের ১৫ তারিখ রাতে প্রথম আসমানের উপর তাজাল্লী (আলো) বিচ্ছুরিত করেন, অতঃপর বনী কালব গোত্রের ছাগল গুলোর পশম অপেক্ষাও অধিক গুনাহগারকে ক্ষমা করে দেন।” (সুনানে তিরমিযী, ২য় খন্ড, ১৮৩ পৃষ্ঠা, হাদীস নং- ৭৩৯, দারুল ফিক্‌র, বৈরুত)
                                                                                  (*কবর যিয়ারতের সুন্নাত নিয়মাবলী)

আতশবাজীর আবিষ্কারক কে?

প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরাاَلْحَمْدُ لِلهِ عَزَّوَجَلَّ! শবে বরাত জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি লাভের রাত, কিন্তু শতকোটি আফসোস! বর্তমান মুসলমানদের একটি বড় অংশ আগুন থেকে মুক্তি লাভের পরিবর্তে নিজে টাকা পয়সা খরচ করে নিজের জন্য আগুন অর্থাৎ আতশবাজীর সামগ্রী কিনে নেয় আর এভাবে অতি মাত্রায় আতশবাজী জ্বালিয়ে (ফাটিয়ে) এ পবিত্র রাতের পবিত্রতাকে পদদলিত করে। প্রসিদ্ধ মুফাসসির হাকীমুল উম্মত হযরত মুফতী আহমদ ইয়ার খান رحمة الله عليه তাঁর সংক্ষিপ্ত কিতাব “ইসলামী জিন্দেগী” তে লিখেছেন: এ রাত গুনাহে অতিবাহিত করা বড় হতভাগ্যের কথা। আতশবাজী সম্পর্কে প্রসিদ্ধ রয়েছে: এটা বাদশাহ্ নমরূদ আবিষ্কার করেছে। যখন সে হযরত ইব্রাহিম খলীলুল্লাহ عَلَيْهِ السَلَام কে আগুনে নিক্ষেপ করেছিল এবং অগ্নিকুন্ড বাগানে পরিণত হয়েছিল তখন তার লোকেরা আগুনের অঙ্গার ভর্তি করে তার মধ্যে আগুন লাগিয়ে তা হযরত ইব্রাহিম খলীলুল্লাহ  عَلَيْهِ السَلَام এর দিকে নিক্ষেপ করেছিল। (ইসলামী জিন্দেগী, ৭৭ পৃষ্ঠা)

শবে বরাতে প্রচলিত আতশবাজী হারাম

আফসোস! শবে বরাতে ‘আতশবাজী’র নিকৃষ্ট প্রথা এখন মুসলমানদের মধ্যে চরম ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে “ইসলামী জিন্দেগী”তে রয়েছে: মুসলমানদের লাখ লাখ টাকা প্রতি বছর এ প্রথায় ধ্বংস হয়ে যায়, আর প্রতি বছর খবর আসে, অমুক জায়গায় আতশবাজীতে এ পরিমাণ ঘর জ্বলে গেছে এবং এত সংখ্যক মানুষ পুঁড়ে মারা গেছে। এর দ্বারা প্রাণহানী, সম্পদ বিনষ্ট ও ঘর বাড়ীতে আগুন লাগার আশংকা থাকে। এছাড়া নিজের সম্পদে নিজের হাতে আগুন লাগানো আর আল্লাহ তাআলার নাফরমানির ক্ষতি নিজের মাথায় নেওয়া, আল্লাহ তাআলার ওয়াস্তে এই অনর্থক ও হারাম কাজ থেকে বিরত থাকুন। নিজের সন্তান ও আত্মীয় স্বজনদেরকেও বাঁধা দিন। যেখানে ভবঘুরে ছেলেরা এ খেলা করে, সেখানে তামাশা দেখার জন্যও যাবেন না। (ইসলামী জিন্দেগী, ৭৮ পৃষ্ঠা) (শবে বরাতে প্রচলিত) আতশবাজী জ্বালানো/ছোড়া নিঃসন্দেহে অপচয় ও অমিতব্যয়িতা। অতএব এই কাজ নাজায়িয ও হারাম হওয়া এবং অনুরূপভাবে আতশবাজী তৈরি করা, বিক্রয় করা ও ক্রয় করা সব শরীয়তে নিষিদ্ধ। (ফতোওয়ায়ে আজমলীয়া, ৪র্থ খন্ড, ৫২ পৃষ্ঠা) আমার আক্বা আ’লা হযরত ইমামে আহলে সুন্নাত, মাওলানা শাহ্ ইমাম আহমদ রযা খান رحمة الله عليه ও বলেন: আতশবাজী যেভাবে বিবাহ ও শবে বরাতে প্রচলিত রয়েছে নিঃসন্দেহে হারাম ও সম্পূর্ণ অপরাধ। কেননা এর মাধ্যমে সম্পদ বিনষ্ট করা হয়। (ফতোওয়ায়ে রযবীয়া, ২৩তম খন্ড, ২৭৯ পৃষ্ঠা)

আতশবাজী জায়েয হওয়ার অবস্থা সমূহ

শবে বরাতে যে আতশবাজী ছোড়া বা জ্বালানো হয় তার উদ্দেশ্য খেলাধুলা ও চিত্তবিনোদন হয়ে থাকে। অতএব এটা গুনাহ ও হারাম এবং জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মত কাজ। তবে এর কিছু জায়েয অবস্থাও রয়েছে। যেমন: আ’লা হযরত رحمة الله عليه এর দরবারে প্রশ্ন করা হল: ওলামায়ে দ্বীন এ মাসআলা সম্পর্কে কি বলেন যে, আতশবাজী তৈরী করা ও নিক্ষেপ করা হারাম কিনা?
উত্তর: নিষিদ্ধ ও গুনাহ। কিন্তু ঐ বিশেষ অবস্থায় জায়েজ যা খেলাধুলা ও অমিতব্যয়িতা থেকে পবিত্র, যেমন: চাঁদ দেখার ঘোষনায়, জঙ্গলে বা প্রয়োজনে শহর থেকে কষ্ট প্রদান কারী জন্তুকে বিতাড়িত করার জন্য, অথবা শস্যক্ষেত বা ফলের গাছ থেকে জন্তুকে তাড়িয়ে দেয়া ও পাখিকে উড়াইয়া দেয়ার জন্য (বৈধ)। (ফতোওয়ায়ে রযবীয়া, ২৩তম খন্ড, ২৯০ পৃষ্ঠা)
                                     তুঝ কো শাবানে মুয়াজ্জম কা খোদায়া ওয়াসেতা,
                                                                    বখশ দে রব্বে মুহাম্মদ তু মেরি হার এক খতা।

(১) শবে বরাতের ইজতিমায় আমার অন্তর জেগে উঠল

শবে বরাতে ইবাদতের আগ্রহ বৃদ্ধি করার জন্য, এ পবিত্র রাতে নিজেকে আতশবাজী ও অন্যান্য গুনাহ থেকে বাঁচানোর জন্য অনুরূপভাবে নিজেকে চরিত্রবান মুসলমান বানানোর জন্য তাবলীগে কুরআন ও সুন্নাতের বিশ্বব্যাপী অরাজনৈতিক সংগঠন, দা’ওয়াতে ইসলামীর মাদানী পরিবেশে সবর্দা সম্পৃক্ত থাকুন, প্রতি মাসে তিনদিনের জন্য আশেকানে রাসুলদের সাথে মাদানী কাফেলায় সুন্নাতে ভরা সফর করুন আর মাদানী ইন্আমাত অনুযায়ী নিজের জীবন অতিবাহিত করার চেষ্টা করুন। আপনাদের উৎসাহ ও উদ্দীপনার জন্য দুইটি মাদানী বাহার পেশ করা হচ্ছে: মারকাযুল আউলিয়া (লাহোরের) এক ইসলামী ভাইয়ের চিঠির সারমর্ম: তাবলীগে কুরআন ও সুন্নাতের বিশ্বব্যাপী অরাজনৈতিক সংগঠন দা’ওয়াতে ইসলামীর মাদানী পরিবেশে সম্পৃক্ত হওয়ার পূর্বে আল্লাহর পানাহ্! অধিকতর বদমাযহাবীদের সংস্পর্শে থাকার মত অনেক বড় গুনাহের সাথে সাথে অন্যান্য গুনাহের ভয়ংকর জলাভূমিতে ফেসে গিয়েছিলাম। শতকোটি আফসোস! দিন রাত সিনেমা-নাটক দেখা, অশ্লীল আড্ডায় প্রত্যাবর্তন করা আমার নিকট আল্লাহ তাআলার পানাহ্! গর্ব করার মত ছিল। আমার গুনাহ ভরা হেমন্ত কালের পূর্ণ সন্ধ্যার সমাপ্তি ও নেকী ভরা বসন্তের প্রভাতের আরম্ভ এভাবে হয়, এক ইসলামী ভাইয়ের ইনফিরাদী কৌশিশের বরকতে আমার “হানজারওয়ালে” শবে বরাতের ধারাবাহিকতায় হওয়া সুন্নাতে ভরা ইজতিমায় অংশগ্রহন করার সৌভাগ্য নসীব হল। মুবাল্লিগে দা’ওয়াতে ইসলামীর বয়ান এমন হৃদয় বিদারক ছিল, আমি নিজের গুনাহের লজ্জায় মাথা নত হয়ে গেলাম। আল্লাহ তাআলার (অসন্তুষ্ট হওয়ার) ভয় এমন ভাবে সঞ্চার হল যে, আমার চোখ থেকে কান্না বের হয়ে এল!
ইজতিমার শেষে আমাদের এলাকার মাদানী কাফেলা যিম্মাদার ইসলামী ভাই আমার সাথে সাক্ষাত করলেন এবং আমাকে তিন দিন মাদানী কাফেলায় সফরের তরগীব দিলেন। যেহেতু অন্তর উজ্জীবিত ছিল তাই আমি তার ইনফিরাদী কৌশিশের ফলে মাদানী কাফেলার মুসাফির হয়ে গেলাম। মাদানী কাফেলার মধ্যে আশেকানে রাসুলদের স্নেহভরা সংস্পর্শে থেকে অসংখ্য সুন্নাত শিখার সৌভাগ্য অর্জন হল। اَلْحَمْدُ لِلهِ عَزَّوَجَلَّ আমি  অতীতের সকল গুনাহ থেকে তাওবা করে নিলাম, যখন রমজানুল মোবারকের আগমন ঘটল তখন আমি আশেকানে রাসুলদের সাথে শেষ দশ দিন ইতিকাফ করার সৌভাগ্য অর্জন করি। ঐ ইতিকাফে ২৭ তারিখ রাতে এক সৌভাগ্যবান ইসলামী ভাইয়ের সাথে اَلْحَمْدُ لِلهِ عَزَّوَجَلَّ ছরকারে দোআলম, নূরে মুজাস্সম, রাসুলে আকরাম  এর দীদার নসীব হল, এটা আমার অন্তরে দা’ওয়াতে ইসলামীর মুহাব্বত আরো বেশী বাড়িয়ে দিল এবং আমি পরিপূর্ণ ভাবে দা’ওয়াতে ইসলামীর মাদানী পরিবেশে সম্পৃক্ত হয়ে গেলাম।
আও করনে লাগো গে বহুত নেক কাম, 
                                মাদানী মহল মে করলো তুম ইতিকাফ।
ফযলে রব ছে হো দিদারে সুলতানে দি, 
                               মাদানী মহল মে করলো তুম ইতিকাফ।
রাহাত ও চাইন পায়ে গা কলবে হাযীঁ,
                              মাদানী মহলে মে করলো তুম ইতিকাফ।
(ওয়াসায়িলে বখশিশ, ৩৫৩ পৃষ্ঠা)

صَلُّوا عَلَى الحَبِيب صَلَّى اللهُ تَعَالَى عَلى مُحَمَّد

(২) ফ্লিম পিপাসু

বাবুল মদীনা (করাচী) “বড়া বোর্ড” এলাকার এক ইসলামী ভাইয়ের বর্ণনার সারাংশ হচ্ছে: পূর্বেই আমি সমাজে ভবঘুরে যুবক ছিলাম। প্রতিদিন নিয়মিত ভাবে খুব বেশি সিনেমা-নাটক দেখার কারনে মহল্লায় “ফ্লিম খোর” নামে প্রসিদ্ধ হয়ে গেলাম। আমার সংশোধন হওয়ার উপায় এভাবে হল যে, এক ইসলামী ভাইয়ের ইনফিরাদী কৌশিশের ফলে কাজ্জি গ্রাউন্ড (গুলবাহার) এ তাবলীগে কুরআন ও সুন্নাতের বিশ্বব্যাপী অরাজনৈতিক সংগঠন দা’ওয়াতে ইসলামীর উদ্যোগে হওয়া শবে বরাতের সুন্নাতে ভরা ইজতিমায় অংশগ্রহন করার সৌভাগ্য অর্জন হয়ে যায়। সেখানে আমি “কবরের প্রথম রাত” এর বিষয়ের উপর বয়ান শ্রবণ করি। আল্লাহ তাআলার ভয়ে অন্তর অস্থির হয়ে গেল, আমি পূর্বের গুনাহ্ থেকে তাওবা করি আর দা’ওয়াতে ইসলামীর মাদানী পরিবেশে সম্পৃক্ত হয়ে যাই, আমাদের সকল পরিবার মর্ডান ছিল।  اَلْحَمْدُ لِلهِ عَزَّوَجَلَّ আমার ইনফিরাদী কৌশিশে আমার পাঁচ ভাই ও দা’ওয়াতে ইসলামী ওয়ালা হয়ে গেল এবং সবাই মাথার উপর সবুজ ইমামা শরীফের তাজ সাজিয়ে নিল আর ঘরের মধ্যে ও সম্পূর্ণ মাদানী পরিবেশ হয়ে গেল। এ বর্ণনা দেয়া পর্যন্ত হালকা মুশাওয়ারাতের খাদেম হিসাবে সুন্নাতের খিদমত করছি। আমার সুন্নাতের তরবিয়্যতের জন্য মাদানী কাফেলায় সফর করার যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে।
 اَلْحَمْدُ لِلهِ عَزَّوَجَلَّ প্রতি মাসে তিন দিন মাদানী কাফেলায় আশিকানে রাসুলের সাথে মাদানী কাফেলায় সফর করে থাকি।
ইয়া কীনান মুকাদ্দার কা উও হে সিকান্দার, 
                             জিসে খাইর ছে মিল গেয়া মাদানী মাহোল।
ইয়াহা সুন্নাতে শিখনে কো মিলেগি, 
                         দিলায়ে গা খওফে খোদা মাদানী মাহোল।
এ্যায় বিমার ইসইয়া তু আজা ইয়াহা পর,
                           গুনাহো কি দেগা দাওয়া মাদনী মাহোল।

                                                         (ওয়াসায়িলে বখশিশ, ৩৩৫ পৃষ্ঠা)
صَلُّوا عَلَى الحَبِيب صَلَّى اللهُ تَعَالَى عَلى مُحَمَّد
লিখাটি আমীরে আহলে সুন্নাত হযরত মাওলানা ইলয়াস আত্তার কাদেরী রযভী কর্তৃক লিখিত শাবান মাসের ফযিলত সম্পর্কিত “প্রিয় নবীর মাস” নামক রিসালার ২১-২৭ নং পৃষ্ঠা হতে সংগৃহীত। রিসালাটি নিজে কিনুন, অন্যকে উপহার দিন।
যারা মোবাইলে (পিডিএফ) রিসালাটি পড়তে চান তারা ফ্রি ডাউনলোড দিন
দাওয়াতে ইসলামীর সকল বাংলা ইসলামীক বইয়ের লিংক এক সাথে পেতে এখানে ক্লিক করুন

বাকী পর্ব পড়তে ক্লিক করুন- প্রথম পর্ব দ্বিতীয় পর্ব
মাদানী চ্যানেল দেখতে থাকুন